লিখেছেন কুটুমবাড়ি (তারিখ: রবি, ২০১০-০৬-২৭ ১৭:৪৪) @ সচলায়তন
ক্যাটেগরি : গল্প | সাহিত্য | রম্যরচনা | অণুগল্প | স্বর্গ | যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)
স্বর্গে ভিড় বেড়ে গিয়েছিল খুব। একটি সিদ্ধান্ত নেয়া হলো শুধু এক দিনের জন্য। ওইদিন স্বর্গে ঢুকতে হলে একটি বিশেষ শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত এই যে, মৃত্যুটা হতে হবে চরম দুর্ভাগ্যজনক কোনো দিনে।
বিচারের দায়িত্ব পেলেন জোনা পুত্র সেন্ট পিটার। যথারীতি তিনি স্বর্গের দুয়ারে বসে আছেন। লোকজন লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে স্বর্গের টিকিট পাওয়ার অপেক্ষায়। লাইনের প্রথম লোকটা মধ্যবয়স্ক, মাথাভর্তি উসকো-খুসকো চুল। সেন্ট পিটার তাকে জিজ্ঞেস করলেন, 'বলো, তোমার জীবনের শেষ দিনটা কেমন ছিল?'
লোকটা বলল, 'ভয়ংকর! আমার বউয়ের বয়স ছিল আমার চেয়ে অনেক কম। তার ওপর বেজায় সুন্দরী। প্রতিবেশী অনেকেরই কুনজর ছিল তার দিকে, তাই তাকে চোখে চোখে রাখতে হতো। একসময় আমার সন্দেহ হলো এক প্রতিবেশীর সাথে তার ইটিশপিটিশ চলছে। তক্কে তক্কে রইলাম। একদিন বউকে শহরের বাইরে যাবার কথা বলে বাসা থেকে বের হলাম। আমি নিশ্চিত ছিলাম সে এই সুযোগটা নেবে, তাই তাড়াতাড়িই বাসায় চলে এলাম সেদিন। কিন্তু সারা বাড়ি তন্ন তন্ন করে খুঁজেও ওই রাস্কেলটাকে দেখতে পেলাম না। শেষে খুঁজতে খুঁজতে ব্যালকনিতে গেলাম। আমাদের ফ্ল্যাটটা ছিল বারো তলায়। ও মাগো, দেখি কি সেই খচ্চরটা ব্যালকনি থেকে ঝুলছে! আমি ঘরের ভেতর থেকে ইয়া বড় একটা হাতুড়ি নিয়ে এসে পেটাতে শুরু করলাম তার হাতের ওপর। সে গর্দভটা নিচে পড়ল ঠিকই, কিন্তু একটা ঝোপের ওপর গিয়ে পড়ল। তাই এবার ঘরের ভেতর গিয়ে আস্ত ফ্রিজটা তুলে এনে তার ওপর ছুড়ে মারলাম। অব্যর্থ নিশানা! ওটা সোজা তার মাথার ওপর গিয়ে পড়ল। কিন্তু এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় আমার হার্ট অ্যাটাক হলো। আর মর্ত্যের মায়া কাটিয়ে আমি সোজা চলে এলাম এখানে।'
সেন্ট পিটার অস্বীকার করতে পারলেন না যে এটা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক দিন ছিল তার জন্য। তাই অন্যায় করা সত্ত্বেও তাকে ভেতরে ঢুকতে দিলেন। ওইদিন আরও যাদের মৃত্যু হয়েছিল তারা অপেক্ষা করছে কখন টিকিট পাবে। তিনি লাইনের দ্বিতীয় ব্যক্তিটিকে ডাকলেন।
'সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক ছিল সেই দিনটি।' দ্বিতীয় ব্যক্তিটি বলল। 'আমি আমার তেরো তলার ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে সামান্য ব্যায়াম করছিলাম। অসাবধানে উবু হতে গিয়ে রেলিং টপকে পড়ে যাই। যা হোক, কোনোমতে আমি নিচের ফ্ল্যাটের ব্যালকনি থেকে ঝুলছিলাম। কিন্তু কোত্থেকে এক উন্মাদ এসে আমার হাতের ওপর হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে শুরু করে। সৌভাগ্যবশত আমি কিছু ঝোপঝাড়ের ওপর গিয়ে পড়ি। কিন্তু, ওই পাগলটা এর পর আমার ওপর একটা ফ্রিজ ছুড়ে মারে!'
সেন্ট পিটার মুখ টিপে হাসলেন। তবে ঢুকতে দিলেন একেও। মনে মনে ভাবছেন তাঁর কাজটা সত্যিই উপভোগ্য হয়ে উঠতে শুরু করেছে। 'তোমার জীবনের শেষ দিনটা কেমন কেটেছিল?' তিনি জিজ্ঞেস করলেন লাইনে দাঁড়ানো তৃতীয় ব্যক্তিটিকে।
'বলছি। ছবিটা মনে মনে কল্পনা করুন, আমি নগ্ন, একটা ফ্রিজের ভেতর লুকিয়ে আছি....'
*একটি বিদেশি কৌতুক অবলম্বনে রচিত
শুক্রবার, ১৩ আগস্ট, ২০১০
শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০১০
বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড- ৪ | আবহাওয়া |
লিখেছেন কুটুমবাড়ি (তারিখ: শুক্র, ২০১০-০৮-০৬ ২০:১৪) @ সচলায়তন
ক্যাটেগরি : খবর | আবহাওয়া | কুটুমবাড়ি | খাবার | জলখাবার | জলবায়ু | নিরামিষ | পানীয় | বাংলাদেশ | ভ্রমণ | ভ্রমণ গাইড
কখন বেড়াবেন
ষড়ঋতু এখন শুধু পঞ্জিকার পাতায়, কার্যত বাংলাদেশে ঋতু বা মৌসুম চোখে পড়ে ৪টি—বর্ষা (জুন-সেপ্টেম্বর), শরৎ (অক্টোবর-নভেম্বর), শীত (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি), এবং গ্রীষ্ম মৌসুম (মার্চ-মে)।
ঘোরাঘুরির শ্রেষ্ঠ সময় মধ্য-অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ঘন নীল আকাশ, রোদেলা দিন এবং শুষ্ক আবহাওয়া নিয়ে এই সময় দিনের গড় তাপমাত্রা থাকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এপ্রিলের মধ্যে এই তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায়
ক্যাটেগরি : খবর | আবহাওয়া | কুটুমবাড়ি | খাবার | জলখাবার | জলবায়ু | নিরামিষ | পানীয় | বাংলাদেশ | ভ্রমণ | ভ্রমণ গাইড
কখন বেড়াবেন
ষড়ঋতু এখন শুধু পঞ্জিকার পাতায়, কার্যত বাংলাদেশে ঋতু বা মৌসুম চোখে পড়ে ৪টি—বর্ষা (জুন-সেপ্টেম্বর), শরৎ (অক্টোবর-নভেম্বর), শীত (ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারি), এবং গ্রীষ্ম মৌসুম (মার্চ-মে)।
ঘোরাঘুরির শ্রেষ্ঠ সময় মধ্য-অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ঘন নীল আকাশ, রোদেলা দিন এবং শুষ্ক আবহাওয়া নিয়ে এই সময় দিনের গড় তাপমাত্রা থাকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এপ্রিলের মধ্যে এই তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়ায়
বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০১০
বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড- ৩
লিখেছেন কুটুমবাড়ি (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০১০-০৭-২৯ ০৮:৩২) @ সচলায়তন
ক্যাটেগরি : দেশচিন্তা | আর্সেনিক দূষণ | উদ্ভিদ | কুটুমবাড়ি | পরিবেশ | পরিবেশ ইস্যু | পাখি | প্রাণী | ভূমি | ভ্রমণ গাইড
দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দুটি নদী—গঙ্গা আর ব্রহ্মপুত্র যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে সেখানেই কালের পরিক্রমায় গড়ে ওঠা বঙ্গীয় ব-দ্বীপ। এই গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র মোহনা অঞ্চলে প্রায় ৩০০০ বছর বা তারও পূর্ব থেকে যে জনগোষ্ঠীর বসবাস, তা-ই ইতিহাসের নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে বর্তমানের স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশরূপে। ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে। এর ভূখন্ড ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, অর্থাৎ প্রায় ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের (আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭০ বর্গ কিলোমিটার) সমান। [তথ্যসূত্র : [url=http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#.E0.A6.AD.E0.A7.82.E0.A6.97.E0.A7.8B.E0.A6.B2_.E0.A6.93_.E0.A6.9C.E0.A6.B2.E0.A6.AC.E0.A6.BE.E0.A6.AF.E0.A6.BC.E0.A7.81]উইকিপিডিয়া][/url]
ক্যাটেগরি : দেশচিন্তা | আর্সেনিক দূষণ | উদ্ভিদ | কুটুমবাড়ি | পরিবেশ | পরিবেশ ইস্যু | পাখি | প্রাণী | ভূমি | ভ্রমণ গাইড
দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম দুটি নদী—গঙ্গা আর ব্রহ্মপুত্র যেখানে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে সেখানেই কালের পরিক্রমায় গড়ে ওঠা বঙ্গীয় ব-দ্বীপ। এই গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র মোহনা অঞ্চলে প্রায় ৩০০০ বছর বা তারও পূর্ব থেকে যে জনগোষ্ঠীর বসবাস, তা-ই ইতিহাসের নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে বর্তমানের স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশরূপে। ভৌগোলিক বিচারে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে। এর ভূখন্ড ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত, অর্থাৎ প্রায় ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের (আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ৫১ হাজার ১৭০ বর্গ কিলোমিটার) সমান। [তথ্যসূত্র : [url=http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6#.E0.A6.AD.E0.A7.82.E0.A6.97.E0.A7.8B.E0.A6.B2_.E0.A6.93_.E0.A6.9C.E0.A6.B2.E0.A6.AC.E0.A6.BE.E0.A6.AF.E0.A6.BC.E0.A7.81]উইকিপিডিয়া][/url]
শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০১০
বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড- ২ | বাংলাদেশ এল কোথা থেকে |
লিখেছেন কুটুমবাড়ি (তারিখ: রবি, ২০১০-০৭-২৫ ২৩:৪৮) @ সচলায়তন
ক্যাটেগরী: দেশচিন্তা | মুক্তিযুদ্ধ | ইতিহাস | কুটুমবাড়ি | ভ্রমণ গাইড
[i]বাংলাদেশের অতীত অধ্যায় মানেই নাটকীয় পালাবদলের ইতিবৃত্ত; হাঙ্গামা ও শান্তি, প্রাচুর্য ও দারিদ্র্যের এমন পিঠাপিঠি অবস্থান বিশ্ব-ইতিহাসেরই বিরল ঘটনা। বাংলাদেশ কখনও সাংস্কৃতিক মহিমায় সমুজ্জ্বল, কখনও যুদ্ধক্লান্ত ও ধ্বংসোন্মুখ। এই দেশের হুড়হাঙ্গামাপূর্ণ ইতিহাস অন্তর্দন্ধ, একের পর এক বহিরাক্রমণ এবং মহাপরাক্রমশালী সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের সাক্ষী।[/i]
ক্যাটেগরী: দেশচিন্তা | মুক্তিযুদ্ধ | ইতিহাস | কুটুমবাড়ি | ভ্রমণ গাইড
[i]বাংলাদেশের অতীত অধ্যায় মানেই নাটকীয় পালাবদলের ইতিবৃত্ত; হাঙ্গামা ও শান্তি, প্রাচুর্য ও দারিদ্র্যের এমন পিঠাপিঠি অবস্থান বিশ্ব-ইতিহাসেরই বিরল ঘটনা। বাংলাদেশ কখনও সাংস্কৃতিক মহিমায় সমুজ্জ্বল, কখনও যুদ্ধক্লান্ত ও ধ্বংসোন্মুখ। এই দেশের হুড়হাঙ্গামাপূর্ণ ইতিহাস অন্তর্দন্ধ, একের পর এক বহিরাক্রমণ এবং মহাপরাক্রমশালী সাম্রাজ্যের উত্থান ও পতনের সাক্ষী।[/i]
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০১০
বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড- ১ | সংস্কৃতি ও স্থাপত্যরীতি |
লিখেছেন কুটুমবাড়ি (তারিখ: বুধ, ২০১০-০৭-২১ ০২:৫৩) @ সচলায়তন
ক্যাটেগরী: সমসাময়িক | পর্যটন গাইড | বাংলাদেশ | ভ্রমণ
[size=24]ঠিকানা বাংলাদেশ![/size]
পাহাড় ও অরণ্য, মসজিদ ও মন্দির, সৈকত ও দ্বীপ—এই সবকিছু ছাপিয়ে যে পরিচয়টি সবচেয়ে বড় হয়ে ওঠে বাংলাদেশের, তা হচ্ছে তার নামটি—বাংলাদেশ! একসময় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দারিদ্র্য, দুর্নীতি আর উপচে পড়া ভিড়ের জন্যই বেশি পরিচিত ছিলাম আমরা। ধীরে ধীরে সেই ভাবমূর্তির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে। আমরা এখন মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখেছি, ক্রমেই হয়ে উঠছি বিশ্বায়নের সক্রিয় অংশীদার। ঐতিহাসিক করুণ পরিণতি বা উন্নয়নের পথে বারবার হোঁচট খাওয়া—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি আমাদের। এখন আর বাংলাদেশ মানেই তলাবিহীন ঝুড়ি নয়—যেমনটি একসময় ধারণা ছিল পশ্চিমা গণমাধ্যমের। বাংলাদেশ এখন ভালো খবর তৈরি করতেও শিখেছে।
ক্যাটেগরী: সমসাময়িক | পর্যটন গাইড | বাংলাদেশ | ভ্রমণ
[size=24]ঠিকানা বাংলাদেশ![/size]
পাহাড় ও অরণ্য, মসজিদ ও মন্দির, সৈকত ও দ্বীপ—এই সবকিছু ছাপিয়ে যে পরিচয়টি সবচেয়ে বড় হয়ে ওঠে বাংলাদেশের, তা হচ্ছে তার নামটি—বাংলাদেশ! একসময় ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, দারিদ্র্য, দুর্নীতি আর উপচে পড়া ভিড়ের জন্যই বেশি পরিচিত ছিলাম আমরা। ধীরে ধীরে সেই ভাবমূর্তির পরিবর্তন ঘটতে শুরু করেছে। আমরা এখন মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখেছি, ক্রমেই হয়ে উঠছি বিশ্বায়নের সক্রিয় অংশীদার। ঐতিহাসিক করুণ পরিণতি বা উন্নয়নের পথে বারবার হোঁচট খাওয়া—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি আমাদের। এখন আর বাংলাদেশ মানেই তলাবিহীন ঝুড়ি নয়—যেমনটি একসময় ধারণা ছিল পশ্চিমা গণমাধ্যমের। বাংলাদেশ এখন ভালো খবর তৈরি করতেও শিখেছে।
সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০১০
দ্য পিকচার অব ডোরিয়ান গ্রে | ৭ম পর্ব |
বিপর্যয়
গাড়িতে চড়ে থিয়েটারের উদ্দেশে চলেছেন দুই বন্ধু—লর্ড হেনরি এবং বাসিল। ডোরিয়ানও আছে সাথে। তাঁরা দুজনই একটু উৎকণ্ঠায় আছেন সিবিল ভেনের কথা ভেবে। সত্যি বলতে কি, এমন একটি তন্বী সুন্দরী, যে কিনা ডোরিয়ানের হৃদয় দখল করে নিয়েছে, কৌতূহলী করে তুলছে তাদের দুজনকে। মেয়েটি কি তাঁদেরও আকৃষ্ট করতে পারবে? নাকি ডোরিয়ান আরও যোগ্য স্ত্রী বেছে নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করছে?
একজন হৃষ্টপুষ্ট ম্যানেজার, দুহাতে রত্নখচিত আংটি-পরা, পথ দেখিয়ে তাঁদের নির্ধারিত
গাড়িতে চড়ে থিয়েটারের উদ্দেশে চলেছেন দুই বন্ধু—লর্ড হেনরি এবং বাসিল। ডোরিয়ানও আছে সাথে। তাঁরা দুজনই একটু উৎকণ্ঠায় আছেন সিবিল ভেনের কথা ভেবে। সত্যি বলতে কি, এমন একটি তন্বী সুন্দরী, যে কিনা ডোরিয়ানের হৃদয় দখল করে নিয়েছে, কৌতূহলী করে তুলছে তাদের দুজনকে। মেয়েটি কি তাঁদেরও আকৃষ্ট করতে পারবে? নাকি ডোরিয়ান আরও যোগ্য স্ত্রী বেছে নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করছে?
একজন হৃষ্টপুষ্ট ম্যানেজার, দুহাতে রত্নখচিত আংটি-পরা, পথ দেখিয়ে তাঁদের নির্ধারিত
শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০১০
ভেতো বাঙালি
আমি এক জন্ম-কুঁড়ে
ভাবছি বসে এক দুপুরে
কোন বা পথে এভারেস্টে যাই
ও মন রে...
থাকব না তো আস্তাকুড়ে
উঠব ঠিকই জগৎ ফুড়ে
আমি আর আমাতে যে নাই
ও মন রে...
এই না ভেবে দিলাম পাড়া
হঠাৎ হলাম বিছানা ছাড়া
আমি কি হায় স্বপ্ন দেখছি, সাঁই
ও মন রে...
মনটা হলো এমন তেতো
চিরকালই বাঙালি ভেতো
স্বপ্ন দেখার সাধ্য আমার নাই
ও মন রে...
কুটুমবাড়ি
mhdrakib@gmail.com
ভাবছি বসে এক দুপুরে
কোন বা পথে এভারেস্টে যাই
ও মন রে...
থাকব না তো আস্তাকুড়ে
উঠব ঠিকই জগৎ ফুড়ে
আমি আর আমাতে যে নাই
ও মন রে...
এই না ভেবে দিলাম পাড়া
হঠাৎ হলাম বিছানা ছাড়া
আমি কি হায় স্বপ্ন দেখছি, সাঁই
ও মন রে...
মনটা হলো এমন তেতো
চিরকালই বাঙালি ভেতো
স্বপ্ন দেখার সাধ্য আমার নাই
ও মন রে...
কুটুমবাড়ি
mhdrakib@gmail.com
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)